
যদিও আমার বাড়ি নোয়াখালী নয় তবুও নোয়াখালীর ভাষার সাথে আমার একটা গভীর সম্পর্ক রয়েছে কারন আমার আঞ্চলিক ভাষাও নোয়াখালীর ভাষা।তাই নোয়াখালী আমার জেলা না হলেও সেই জেলার প্রতি আমার আলাদা টান কাজ করে। যাই হোক, মূল বিষয় হল অধ্যাপক মোহাম্মদ হাশেম সাহেব নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায় বহু গান রচনা করেছেন, যে গান গুলো শুনলে বৃহত্তর নোয়াখালী, চাঁদপুর ও কুমিল্লার কিছু অংশের মানুষের সাধারন রুপ ফুটে ওঠে।
অধ্যাপক হাশেম এর গানগুলোর সাথে আমার পরিচয় বেশি দিনের নয় কিন্তু, তার গানের মাঝে আমি এমন এক অনুভূতি খুঁজে পেয়েছি। যে অনুভূতি আমাকে আমার মাটির কথা মনে করিয়ে দেয়। আমার মায়ের ভাষায় এত সুন্দর গান হবে তা কখনও আমি চিন্তা করিনি।গান গুলোর মাঝে মানুষের জীবনের যে দিক গুলো ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি সে দিক গুলো সত্যিই মানুষের জীবনের কথা বলে যাচ্ছে।আমি একজন বিভিন্ন ভাষার ছাত্র হিসেবে ফরখ করে বলতে পারি এক মাত্র ভাষাই মানুষকে মানুষের সবচাইতে কাছে নিয়ে আসতে পারে।অধ্যাপক হাশেম আমাদের এই ভাষা দিয়ে তিনি আমাদের অনেক কাছে চলে এসেছেন। সত্যিই ওনি আমাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তার গান গুলোকে আমি গান নয় বরং আমার মায়ের মুখের কথা হিসেবে হৃদয়ে রাখব।
অধ্যাপক হাশেমের এই গানগুলো নিয়ে এই জন্যই লিখেছি, যে ওনি এই ভাষাকে টিকিয়ে রাখার এক পথ সুগম করে দিলেন যা সত্যিই আমার হৃদয় স্পর্শ করেছে। অধ্যাপক হাশেম ও তার গান গুলো নোয়াখালী তথা সবার কাছে বেঁচে থাকুক আজীবন।