আপনি কি কখনো খেয়াল করেছেন, কিছু কাপড়ের দোকানের কর্মচারীরা কিভাবে দ্রুত দামের হিসাব বলে দেন? দোকানের মালিক বা কর্মচারীরা বিভিন্ন সংকেত বা কোড ব্যবহার করে দামের তথ্য গোপন রাখেন।
সংকেতের ধরণ
দোকানভেদে বিভিন্ন ধরনের সংকেত ব্যবহার করা হয়। যেমন, অক্ষরের মাধ্যমে দাম নির্ধারণ করা হতে পারে:
👉 Golden Ster কোডিং পদ্ধতি
এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট প্রতিটি অক্ষরের জন্য একটি সংখ্যা নির্ধারিত থাকে:
-
G = 1
-
O = 2
-
L = 3
-
D = 4
-
E = 5
-
N = 6
-
S = 7
-
T = 8
-
A = 9
-
R = 0
এভাবে, যদি কোনো পণ্যের দাম ৫৫০ টাকা হয়, তাহলে সেটা লেখা হবে EER, আবার ১০০০ টাকা হলে লেখা হবে GRRR।
👉 (-) কোডিং পদ্ধতি
কিছু দোকানে প্রতিটি পণ্যের গায়ে আসল দামের চেয়ে বেশি লেখা থাকে। যেমন, ১০০০ টাকার পণ্যের গায়ে ২০০০ টাকা লেখা থাকবে। বিক্রেতা জানেন, সব পণ্যের গায়ে অতিরিক্ত ১০০০ টাকা যোগ করা আছে, তাই তারা আসল দাম বুঝে নিতে পারেন।
কেন এই কোড ব্যবহার করা হয়?
🔹 কর্মচারীরা সহজেই দামের হিসাব রাখতে পারেন।
🔹 ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করা হয়, যাতে দর-কষাকষিতে তারা আসল দাম না বুঝতে পারেন।
🔹 প্রতিযোগীদের কাছ থেকে ব্যবসার গোপন তথ্য রক্ষা করা হয়।
এই ধরনের কোডিং ব্যবস্থার কারণে অনেক সময় সাধারণ ক্রেতারা সহজে দাম বোঝেন না। তাই কেনাকাটার সময় ভালোভাবে দরদাম করে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ!
Labels : #likes ,